Sobujbangla.com | বোরো ধান-চাল ও গম সংগ্রহের সিলেটে খাদ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন।
News Head
 গণভোটে পক্ষে প্রচার চালাতে সরকারি কর্মকর্তাদের আইনগত বাধা নেই: আলী রীয়াজ। র‌্যাব, হবিগঞ্জে পরিত্যক্ত এয়ারগান উদ্ধার,। চোরাই পথে আনা ভারতীয় কমলা জব্দ, আটক ২, ৩ শর্তে সবাইকে নিয়ে দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি। বড় দলগুলোর প্রচারণার সূচনা ঘটে সিলেট থেকে কেন,। বিশেষ দুই দলকে প্রাধান্য দিচ্ছে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা: মির্জা আব্বাস বলেন। এদেশের মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে যারা ফ্যাসিবাদের সহযোগী তারাই ‘না’ ভোট চাচ্ছে: উপদেষ্টা। আরেক শুটার গ্রেপ্তার, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যায় । আর্থিক ক্ষতি হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের। অপহৃত স্কুলছাত্রী উদ্ধার, নারীসহ গ্রেফতার ৩,

বোরো ধান-চাল ও গম সংগ্রহের সিলেটে খাদ্যমন্ত্রী উদ্বোধন করলেন।

  |  ১৯:১৯, মে ০৭, ২০২৪

ভিডিও করফারেন্সে যুক্ত হয়ে সিলেট জেলার বোরো ধান ও চাল এবং গম সংগ্রহের উদ্বোধন করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় এ উপলক্ষ্যে খাদ্য মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে সিলেটের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে সিলেট জেলার মোট ৬টি উপজেলা থেকে ধান সংগ্রহ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।
সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহাম্মদ মোবারক হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মো. জাকারিয়া মোস্তফা, সিলেট সদর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. কামরুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট-এর অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (পিপি) মোহাম্মদ আনিছুজ্জামান প্রমুখ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সিলেট সদরস্থ খাদিমনগর খাদ্য গোদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ও কয়েকজন কৃষক।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এবছর প্রতি কেজি বোরো ধানের সংগ্রহ মূল ৩২ টাকা, প্রতি কেজি সিদ্ধ চালের সংগ্রহ ৪৫ টাকা এবং প্রতি কেজি আতপ চালের মূল্য ৪৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। অদ্য ৭ মে থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ধান ও চাল সংগ্রহের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ৭ মে থেকে ২০মে পর্যন্ত মিলারদের সাথে চুক্তির সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়।
অ্যাপের মাধ্যমে জেলার সিলেট সদর, দক্ষিণ সুরমা, বিশ্বনাথ, বিয়ানীবাজার, গোলাপগঞ্জ ও কানাইঘাটসহ মোট ৬টি উপজেলায় ধান সংগ্রহ করা হবে। ধান-চাল বিক্রয়ের জন্য ইতিমধ্যে জেলার কৃষকগণ নিবন্ধন শুরু করেছেন। নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর লটারির মাধ্যমে ‘বিক্রেতা কৃষক’ নির্বাচন করা হবে। অ্যাপের মাধ্যমে সিলেট সদর, বিশ্বনাথ, বিয়ানীবাজার ও কানাইঘাট এই ৪ উপজেলায় চাল সংগ্রহ করা হবে।
অ্যাপ বহির্ভূত উপজেলাসমূহে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত কৃষকেদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ করা হবে। উপজেলা সংগ্রহ কমিটি অনুমোদিত কৃষক তালিকা হতে লটারির মাধ্যমে বিক্রেতা কৃষক নির্বাচন করা হবে। প্রতি কৃষক সর্বোচ্চ ৩ হাজার মেট্রিক টন এবং সর্বনিম্ন ১২০ কেজি ধান গুদামে বিক্রয় করতে পারবেন।
সিলেট জেলায় লাইসেন্সকৃত ১৪টি সিদ্ধ এবং ৬৩টি আতপ চালকল রয়েছে। এ জেলার ১৩টি উপজেলায় এ বছর ধানের লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ৫৬৬ মেট্রিক টন ও সিদ্ধ চালের লক্ষ্যমাত্রা ৯ হাজার ৮৭৩ মেট্রিক টন এবং আতব চালের লক্ষ্যমাত্রা ৪ হাজার ৮১৯ মেট্রিক টন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ