ইউপিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ে দুর্বল হচ্ছে স্থানীয় সরকার।
প্রথম ধাপে ৩৬৪ ইউপি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত নৌকার ৭১ প্রার্থী। বিরোধী দল ভোটে না আসায় দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউপিতে এ সংখ্যা আরো বাড়বে বলে মনে করছেন স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, চলমান প্রক্রিয়া স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে দুর্বল করবে। জুনে প্রথম ধাপের ২০৪ ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে জয় পান আওয়ামী লীগ ১৪৮ প্রার্থী। এর মধ্যে ১২০ জন সরাসরি ভোটে, ২৮ জন চেয়ারম্যান হন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায়। অন্যদিকে স্বতন্ত্র ৪৯ আর তিন রাজনৈতিক দল থেকে নির্বাচিত হন ৭ জন। সেপ্টেম্বরে প্রথম ধাপের দ্বিতীয় পর্বে ১৬০ ইউপিতে ১১৯টিতে জয়ী নৌকার প্রার্থীরা। এর মধ্যে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান ৪৩ জন। স্বতন্ত্র প্রার্থীর জয় হয়েছে ৩৬টিতে। একটিতে জিতেছেন ওয়ার্কার্স পার্টির প্রার্থী। প্রথম ধাপে ৩৬৪ ইউপির ৭১টিতে ভোটই হয়নি। প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় জয়ী আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা। এ অবস্থায় ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৮ ইউনিয়ন পরিষদেও এ ধারা অব্যাহত থাকবে বলে মনে করছেন থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব আবু আলম মোহাম্মদ শহীদ খান। তবে ক্ষমতাসীন দলের নেতারা বলছে, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার দায় আওয়ামী লীগের নয় বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক। স্থানীয় সরকারসহ যেকোনো নির্বাচন বর্জন বিএনপির জন্য আত্মঘাতী বলে, অস্তিত্ব রক্ষায় দলটির ভোটে আসা দরকার মনে করছে তারা। তবে বিএনপিকে নির্বাচনে আনতে উদ্যোগ নেবে না বলে জানিয়েছে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ফারুক খান।

ক্রিকেট ম্যাচ এ ভারতের বড়ো জয় ।
শিক্ষাক্রম প্রণয়ন কমিটি: শিক্ষামন্ত্রী।
দ্রুত ভাবে উন্নয়ন কাজ শেষের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের।
ও বৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান:
গণভোটে পক্ষে প্রচার চালাতে সরকারি কর্মকর্তাদের আইনগত বাধা নেই: আলী রীয়াজ।
র্যাব, হবিগঞ্জে পরিত্যক্ত এয়ারগান উদ্ধার,।
চোরাই পথে আনা ভারতীয় কমলা জব্দ, আটক ২,
৩ শর্তে সবাইকে নিয়ে দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি। 