সিলেটে রাগামহীন পেঁয়াজের দাম
হঠাৎ করে ভারত পেঁয়াজ রপ্তানি বন্ধ করে দেওয়ায় অস্থীতিশীল হয়ে পড়েছে দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বিভাগীয় শহর সিলেটের পেঁয়াজের বাজার। শহর ছাড়াও পেঁয়াজের ঝাঁজ বেড়েছে বিভিন্ন উপজেলা এবং গ্রামের বাজারেও। ইতোমধ্যে বাজারগুলোতে দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে গেছে। আগে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪০ থেকে ৪৫ টাকা ছিলো। এক রাতের ব্যবধানে তা বেড়ে প্রকার ভেদে ৭০ থেকে ৯০ টাকা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকাল থেকে অনেক বাজারেই দেশি পেঁয়াজের দর শতক ছুয়েছে। আর আমদানী করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭৫ থেকে ৮০ টাকায়। যত সময় যাচ্ছে দর বাড়তির দিকে রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্রেতা সাধারণ।
বিক্রেতারা বলছেন, ভারত থেকে আমদানি বন্ধ হয়ে যাওয়াতে আড়তে পেঁয়াজ সংকট দেখা দিয়েছে। এ কারণে পাইকারী বাজার থেকেও বাড়তি দামে পেঁয়াজ কিনতে হচ্ছে তাদের। ফলে বাড়তি দামে বিক্রিও করতে হচ্ছে।
পেঁয়াজ সংকট শুরু হওয়ার আগেই রপ্তানি বন্ধের অজুহাত দিয়ে দাম বাড়ানো হচ্ছে দাবি করে ক্রেতারা বলছেন, গত বছরের মতো এবারও পেঁয়াজের দাম বাড়ানো হচ্ছে। মূলত গত বছরে পেঁয়াজ সিন্ডিকেটের কোন শাস্তি না হওয়াতে এবারও সেই সুযোগটি নিচ্ছেন তারা। এতে করোনাকালে পেঁয়াজ কিনতে হিমশিম খেতে হবে ক্রেতাদের।
ব্রহ্মময়ী বাজারের ব্যবসায়ী মারুফ বলেছেন, ‘তাদের দোকানে আগের দামে ক্রয় করা কিছু পেঁয়াজ ছিল, যা তারা ৪৮ থেকে ৫৫ টাকা কেজিতে বিক্রি করেছেন। তবে মঙ্গলবার সকালে আড়ত থেকে বেশি দরে পেঁয়াজ কিনে আনতে হয়েছে। ফলে নতুন করে আনা পেঁয়াজ বাড়তি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পাইকারী বাজারের আড়তদাররা বলছেন, ‘গত সপ্তাহ থেকেই চাহিদার তুলনায় পেঁয়াজ আসা বন্ধ রয়েছে। ভারত থেকে রপ্তানি বন্ধ হওয়াতে এর প্রভাব আরও বেশি পড়েছে। সিলেটে পেঁয়াজ আনা হয় চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ থেকে। সেখানেও পেঁয়াজ সংকট রয়েছে, আর যা আসছে বাড়তি দরে আনতে হচ্ছে। যে কারণে পেঁয়াজের দাম বাড়ছে।’

ক্রিকেট ম্যাচ এ ভারতের বড়ো জয় ।
শিক্ষাক্রম প্রণয়ন কমিটি: শিক্ষামন্ত্রী।
দ্রুত ভাবে উন্নয়ন কাজ শেষের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের।
ও বৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান:
গণভোটে পক্ষে প্রচার চালাতে সরকারি কর্মকর্তাদের আইনগত বাধা নেই: আলী রীয়াজ।
র্যাব, হবিগঞ্জে পরিত্যক্ত এয়ারগান উদ্ধার,।
চোরাই পথে আনা ভারতীয় কমলা জব্দ, আটক ২,
৩ শর্তে সবাইকে নিয়ে দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি। 