Sobujbangla.com | চার দফা দাবিতে অনশনে শাবির শিক্ষার্থীরা
News Head
 সারজিস বলেছেন আগামীর বাংলাদেশে দাসত্ব প্রত্যাশা করি না। জি এম কাদেরের বাসা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদও করা হয় রোহিত শার্মার দুই কীর্তি এক শটে বিএসএফ ২২ জনকে পাঠালো চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে আরও। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল করেছে সিলেট জেলা মহিলা দল। সিলেটে কোম্পানীগঞ্জের বিরিজ গর্ত, দুর্ঘটনার শঙ্কা বলের চমক আফগানদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের দারুণ শুরু,। সিলেটে বিক্ষোভ ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে। ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে এই দেশ সকলের। যেকোনো মূল্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবো,। বাংলা দেশের আগামীর প্রধানমন্ত্রী গন অধিকার পরিষদ থেকেই হবে।

চার দফা দাবিতে অনশনে শাবির শিক্ষার্থীরা

  |  ১৪:০৮, মার্চ ১১, ২০২০

চার দফা দাবি ও ক্লাস-পরীক্ষা চালুর দাবিতে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করছেন শাহজালাল বিজ্ঞান প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।
বুধবার সকাল ১১টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক ভবন ‘এ’ এর সামনে অনশনে অংশ নেন বিভাগের ১১ শিক্ষার্থী।
অনশনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আবেদীন বলেন, চার দফা দাবিতে শিক্ষকদের কাছ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো ফলাফল পাইনি। তাই আমরা আমরণ অনশন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। কাঙ্ক্ষিত ফলাফল না আসা পর্যন্ত আমরা শান্তিপূর্ণভাবে অনশন করে যাবো।
অনশনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী আলাউদ্দিন মো. আদিল বলেন, শিক্ষকদের কাছে আমাদের আবেদন আমাদের ক্লাস-পরীক্ষা সচল করে বিভাগকে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়া। আমরা ক্লাসে ফিরে যেতে চাই।
আরেক শিক্ষার্থী এস এম রাফি আদনান বলেন, শিক্ষকদের সঙ্গে কয়েক দফা বসার পরও আমরা সন্তোষজনক কোনো ফলাফল পাইনি। আজ দশম দিন (১১ মার্চ) আন্দোলন চলার পরও শিক্ষকরা আমাদের ক্লাস, পরীক্ষা সম্পর্কে কোনো উদ্যোগ নেননি। তাই বাধ্য হয়ে আমরা অনশন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।
এদিকে গত ২৯শে ফেব্রুয়ারি পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের ৩০তম বছর উদযাপন উপলক্ষে নৈশভোজ অনুষ্ঠান হয়। এতে বিভাগীয় প্রধানসহ কয়েকজন শিক্ষকের উপস্থিতিতে বহিরাগত একজন শিক্ষক বিভাগের এক স্বেচ্ছাসেবক শিক্ষার্থীকে লাঞ্চিত করেন। তবে শিক্ষকরা উপস্থিত থাকা সত্ত্বেও বাইরের এ শিক্ষককে কোন বাধা না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হন শিক্ষার্থীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনার জাবাবদিহিতা ও চার দফা দাবি তোলেন শিক্ষার্থীরা।
তবে গত ৪ মার্চ উপযুক্ত কোনো কারণ না দেখিয়ে বিভাগীয় প্রধানের স্বাক্ষরিত এক নোটিশের মাধ্যমে ক্লাস-পরীক্ষা অনির্দিষ্ট কালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ক্লাস-পরীক্ষা চালু ও চার দফা দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন তারা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ