Sobujbangla.com | কক্সবাজারে নারী পর্যটককে ধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ
News Head
 সারজিস বলেছেন আগামীর বাংলাদেশে দাসত্ব প্রত্যাশা করি না। জি এম কাদেরের বাসা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদও করা হয় রোহিত শার্মার দুই কীর্তি এক শটে বিএসএফ ২২ জনকে পাঠালো চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে আরও। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল করেছে সিলেট জেলা মহিলা দল। সিলেটে কোম্পানীগঞ্জের বিরিজ গর্ত, দুর্ঘটনার শঙ্কা বলের চমক আফগানদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের দারুণ শুরু,। সিলেটে বিক্ষোভ ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে। ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে এই দেশ সকলের। যেকোনো মূল্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবো,। বাংলা দেশের আগামীর প্রধানমন্ত্রী গন অধিকার পরিষদ থেকেই হবে।

কক্সবাজারে নারী পর্যটককে ধর্ষণের প্রমাণ পেয়েছে ট্যুরিস্ট পুলিশ

  |  ২০:০৬, ডিসেম্বর ২৬, ২০২১

কক্সবাজারে নারী পর্যটককে ধর্ষণের প্রমাণ মিলেছে বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের এসপি মো. জিল্লুর রহমান। তবে ধর্ষণের ঘটনাটি সংঘবদ্ধ কিনা এ বিষয়ে তিনি নিশ্চিত কিছু বলতে পারেননি। এদিকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় প্রধান আসামি আশিকুল ইসলাম আশিককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ নিয়ে আলোচিত ধর্ষণকাণ্ডে গ্রেপ্তারের সংখ্যা দাঁড়ালো ছয়ে। ধর্ষণের বিষয়ে পুলিশ সুপার মো. জিল্লুর রহমান বলেন, এ ঘটনা নিয়ে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। যে সকল আলামত ও প্রমাণপত্র আমাদের হাতে এসেছে এখানে ধর্ষণের বিষয়টি পরিস্কার। ভিকটিমের আদালতের জবানবন্দি এবং প্রমানপত্র ধর্ষণের ঘটনাটি প্রমাণ করতে যথেষ্ট। তিনি আরও বলেন, মোটরসাইকেল নিয়ে একজনই তাকে (ওই নারীকে) হোটেলটিতে নিয়ে গিয়েছিল। ওই একজনই তাকে ধর্ষণ করেছে বলে আদালতে দেয়া জবানবন্দি এবং আমাদের (পুলিশের) জিজ্ঞাসাবাদে বলেছে। ঘটনার আগে যে ঝুপড়ি ঘরে নিয়ে গিয়েছিল ওখানে পূর্ব থেকে আরও দুইজন উপস্থিত ছিল। এই তিনজনের বাইরে পূর্ব থেকে চাঁদা দাবি এবং মোবাইল ফোনে কথোপকথনের সঙ্গে অনেকেই জড়িত। উল্লেখ্য, গত বুধবার রাতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের এক মার্কেটে ভুক্তভোগী নারীর স্বামীর সঙ্গে এক যুবকের ধাক্কা লাগে। এ ঘটনায় স্বামী ও সন্তানসহ ওই নারীকে পর্যটন গলফ মাঠের সামনে নিয়ে যান কয়েকজন যুবক। পরে স্বামী ও সন্তানকে আলাদা করে তাকে অটোরিকশাযোগে মাঠের পেছনে নিয়ে যান তারা। এরপর সেখানকার একটি ঝুপড়ি ঘরে ওই নারীকে পালাক্রমে ধর্ষণ করেন তারা। একপর্যায়ে ওই নারীকে কক্সবাজারের মোটেল জোনের আবাসিক হোটেল জিয়া গেস্ট ইন-এ নিয়ে যান যুবকরা। এরপর হোটেলটির তৃতীয় তলার একটি কক্ষে দ্বিতীয়বার তাকে ধর্ষণ করেন তারা। ৯৯৯-এ তার ফোন পেয়ে অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগীকে সেখান থেকে উদ্ধার করে র‌্যাব। পরে ভুক্তভোগী নারীর তথ্যের ভিত্তিতে পর্যটন গলফ মাঠ থেকে তার স্বামী ও সন্তানকে উদ্ধার করা হয়। আবাসিক হোটেলটির সিসিটিভি ফুটেজ এই ঘটনার সত্যতা মেলে। পরিপ্রেক্ষিতে মামলাটির তদন্তভার দেয়া হয় ট্যুরিস্ট পুলিশকে। এরপর আসামিদের ধরপাকড়ে অভিযান শুরু হয়।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ