ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের অর্ধেকের বেশি মানুষ করোনার টিকা পাবেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়া বলেছেন, ডিসেম্বরের মধ্যে দেশে অর্ধেকের বেশি মানুষ করোনাভাইরাস প্রতিরোধী টিকার আওতায় আসবেন। পর্যায়ক্রমে সবাই ডাবল ডোজের আওতায় আসবেন। এ কার্যক্রমে বাংলাদেশ বিশ্বের মধ্যে ১৫তম অবস্থানে চলে আসবে। টিকা কার্যক্রমে পৃথিবীর সব মহলে দেশ প্রশংসিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) সকালে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে স্বাস্থ্য বিভাগীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালকের (স্বাস্থ্য) কার্যালয় এ সভার আয়োজন করে। স্বাস্থ্য সচিব বলেন, ‘কোভিডের মতো এত বড় মহামারি বিগত ১০০ বছরে কেউ দেখেনি। বৈশ্বিক মহামারির এ সময়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের ১৮ কোটি মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার সুদক্ষ নেতৃত্বে চিকিৎসক-নার্স, প্রশাসন, রাজনৈতিক নেতাসহ সবাই সমন্বিতভাবে কাজ করার কারণে আমরা করোনা মোকাবেলা করতে সক্ষম হয়েছি। উদার মনের প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতার কারণে টিকা নিয়ে আর কোনও সমস্যা নেই।’ তিনি বলেন, দেশের ৭ কোটি ১৩ লাখ মানুষকে টিকা দেয়া হয়েছে। মজুদ রয়েছে ২ কোটি। কয়েকদিনের মধ্যে আসবে আরও ৩ কোটি ডোজ। প্রধানমন্ত্রীর ৭৫তম জন্মদিন উপলক্ষে সারাদেশে ক্যাম্পেইনে ৭৫ লাখ এবং নিয়মিত ৫ লাখসহ মোট ৮০ লাখ ডোজ টিকা একদিনে প্রয়োগ করা হয়েছে। চট্টগ্রামে স্বাস্থ্যসেবা, কোভিড চিকিৎসা ও ভ্যাকসিনেশন কার্যক্রমে সন্তোষ প্রকাশ করে লোকমান হোসেন মিয়া বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে স্বল্প সময়েধ্যে চীন, রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আমরা চুক্তি করেছি। এসব দেশ থেকে কোভ্যাক্স, অ্যাস্ট্রাজেনেকা, মডার্না, সিনোফার্মা ও ফাইজার টিকা এনে মানুষের মাঝে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে দিচ্ছি। প্রতিমাসে দুই থেকে আড়াই কোটি ডোজ টিকা আমরা পাচ্ছি। ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের টিকার আওতায় নিয়ে এসেছি।’ চিকিৎসক-নার্স সংকটের কথা তুলে ধরে স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, ‘কোভিডকালীন বিশেষ ব্যবস্থায় ৪ হাজার চিকিৎসক এবং ১৪ হাজার মিডওয়াইফারি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। যেখানে চিকিৎসক-নার্স সংকট রয়েছে, সেখানে অল্পদিনের মধ্যে তাদের পদায়নের মাধ্যমে সংকট নিরসন করা হবে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রীর ১২ বছর সময়কালে স্বাস্থ্য ব্যবস্থায় অনেক উন্নয়ন হয়েছে। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় ৫ লাখ ডাক্তার-নার্স-কর্মচারী সম্পৃক্ত হবে। এতে এদেশ থেকে চিকিৎসার জন্য আর কাউকে ভারত, থাইল্যান্ড ও অন্যান্য দেশে যেতে হবে না। বিদেশিরা আমাদের দেশে চিকিৎসা নিতে আসবে। দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা উন্নত করতে পারলে হাজার হাজার ডলার বাইরে যাবে না। এ ব্যাপারে সরকার মহাপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘দেশে আমরা দ্রুত অক্সিজেনারেটর আমদানি করছি। এই মেশিন বাতাস থেকে প্রতি মিনিটে ৫০০ লিটার অক্সিজেন সরবরাহ করতে পারে। এই একটি মেশিন ১০০ জনকে অক্সিজেন দিতে সক্ষম। ইতোমধ্যে আমরা ৩ টি অক্সিজেনারেটর আমদানি করেছি। এগুলো চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও গোপালগঞ্জে ব্যবহৃত হচ্ছে। ১২৫ মেট্রিক টন থেকে বর্তমানে ৩৩০ মেট্রিক টন অক্সিজেন মজুদ রয়েছে। আরও ৮০ টি অক্সিজেনারেটর মেশিন বসলে প্রত্যেক বিভাগে ও জেলায় মানুষ এটির সুবিধা পাবেন। দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে ২ হাজার ২০০ টি আইসিইউ বেড রয়েছে।

ক্রিকেট ম্যাচ এ ভারতের বড়ো জয় ।
শিক্ষাক্রম প্রণয়ন কমিটি: শিক্ষামন্ত্রী।
দ্রুত ভাবে উন্নয়ন কাজ শেষের নির্দেশ সিসিক প্রশাসকের।
ও বৈধ ভাবে বালু উত্তোলন বন্ধে জাফলংয়ে প্রশাসনের অভিযান:
গণভোটে পক্ষে প্রচার চালাতে সরকারি কর্মকর্তাদের আইনগত বাধা নেই: আলী রীয়াজ।
র্যাব, হবিগঞ্জে পরিত্যক্ত এয়ারগান উদ্ধার,।
চোরাই পথে আনা ভারতীয় কমলা জব্দ, আটক ২,
৩ শর্তে সবাইকে নিয়ে দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি। 