Sobujbangla.com | বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার ল্যাব চালু কবে, জানাতে পারলেন না দুই মন্ত্রী।
News Head

বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার ল্যাব চালু কবে, জানাতে পারলেন না দুই মন্ত্রী।

  |  ১৯:৪৭, সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১

সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রবেশের ক্ষেত্রে যাত্রীদের বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষা করতে শর্ত দিয়েছে দেশটি। আর এই পরীক্ষার জন্য শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পার্কিং ভবনের ছাদে ল্যাব স্থাপনের কথা থাকলেও আপত্তি জানিয়েছে ল্যাব স্থাপনে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো। এই সংকট নিরসন ও নতুন স্থান নির্ধারণের বিষয়ে মঙ্গলবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকালে বিমানবন্দরে আসেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী ইমরান আহমদ এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক। এ সময় মন্ত্রীরা জানান, আগামী দু–তিন দিনের মধ্যে করোনা পরীক্ষাগার স্থাপন করা হবে। বহুতল কার পার্কিংয়ের ওপর স্থায়ীভাবে করোনার পরীক্ষাগার বসাতে আরও ১০ থেকে ১২ দিন সময় লাগতে পারে। তবে স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে কবে নাগাদ করোনার পরীক্ষা শুরু হবে, তা সরকারের দুই মন্ত্রী জানাতে পারেননি। কবে নাগাদ বিমানবন্দরে করোনার পরীক্ষাগার চালু হবে এমন প্রশ্নের জবাবে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী বলেন, এটা তো এক সপ্তাহ আগে হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু বাস্তবে সেটা হয়নি। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্টতা থাকায় একটু সময় লাগছে। এই সমস্যার আজ মোটামুটি একটা সমাধান হয়েছে। মন্ত্রী ইমরান আহমেদ বলেন, সংযুক্ত আরব আমিরাত চেয়েছে বিমানবন্দরে র‍্যাপিড পিসিআর টেস্ট, এদিকে আমাদের দেশে র‍্যাপিড পিসিআর পরীক্ষার যন্ত্র নেই। বিমানবন্দরে করোনা পরীক্ষার আরটি-পিসিআর ল্যাব বসাতে অনুমোদন পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (এসওপি) মানসম্মত কিনা তা যাচাই করতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে পাঠানো হয়েছে। আরব আমিরাতে পাঠানো এসওপি প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, এ বিষয়টি সিভিল এভিয়েশনের কাজ, এটা প্রবাসী কল্যাণ ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেখার বিষয় নয়। এটা তারা কোথায় পাঠিয়েছেন, কোথায় ক্লিয়ারেন্স পাবেন সেই ভিত্তিতে কাজ করে যাবে সিভিল এভিয়েশন। ছাদে ল্যাব স্থাপনের বিষয়ে ইমরান আহমেদ বলেন, বিমানবন্দরে পার্কিংয়ের ছাদ তৈরি করতে ১০ দিন লাগবে। বিমানবন্দরের ভেতরেও জায়গায় আছে, সেখানে দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে কাজ হবে। যারা কাজ করবে বলেছিলো‑ তারা যদি এখন বলে যন্ত্র নেই, আমদানি করতে হবে, তাহলে আমি বলবো বাড়িতে চলে যাও। অঙ্গীকার অনুযায়ী, আগামী তিন দিনের মধ্যে ল্যাব বসাতে হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, পরীক্ষার জন্য লাগবে পরীক্ষাগার, সেই পরীক্ষাগার বসাতে জায়গা লাগবে। দ্রুত এই কাজ শুরু করার জন্য বিমানবন্দরের ভিতরে একটি জায়গা দেওয়া হয়েছে। ৬টি প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়া হয়েছে, তারা আপাতত ছোট আকারে সেখানে পরীক্ষাগার বসাবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এ কার্যক্রম শুরু করা হবে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, বিমানবন্দরের বহুতল কার পার্কিংয়ের ছাদে স্টিলের কাঠামো করে পরে করোনার আরেকটি পরীক্ষাগার বসানো হবে। সেই জায়গা শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত হবে, পানি ও বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকবে। এটা করতে হয় তো একটু সময় লাগবে। কবে নাগাদ ল্যাব চালু হবে জানতে চাইলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের যে কাজ ছিল, সেটি মন্ত্রণালয় থেকে করা হয়েছে। আমরা প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের কাছে দিয়ে দিয়েছি। আমরা যে কয়টি প্রতিষ্ঠানের নাম প্রস্তাব করেছিলাম সে কয়টি তারা নির্বাচিত করেছেন। বিমানবন্দরে তাদের সঙ্গে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব আহমদ কায়কাউস, প্রবাসী কল্যাণ সচিব ড. আহমেদ মুনিরুছ সালেহীন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো. মফিদুর রহমান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) অধ্যাপক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলমসহ সংশ্লিষ্টরা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ