Sobujbangla.com | সিলেটে ভয়ংকর রূপে করোনা।
News Head

সিলেটে ভয়ংকর রূপে করোনা।

  |  ২০:২৭, আগস্ট ১১, ২০২১

সিলেট অঞ্চলে মহামারি করোনা ভাইরাসের ভয়ংকর রূপ বদলায়নি। শনাক্তের হার কিছুটা কমলেও থেমে নেই মৃত্যুর মিছিল। চলতি মাসের গেল ১০ দিনেই সিলেট বিভাগে ১২৯ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে সিলেট জেলার মারা গেছেন ৯৬ জন। এ সময়ে প্রায় ৭ হাজার লোকের কোভিড-১৯ শনাক্ত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে অর্ধেকেরও বেশি সিলেট জেলার বাসিন্দা। স্বাস্থ্য বিভাগের দেয়া তথ্য পর্যালোচনা করে সিলেটের করোনার এমন ভয়ংকর চিত্র উঠে এসেছে। করোনার এমন চিত্রের মাঝে আজ থেকে সরকারি-বেসরকারি অফিস খোলার পাশাপাশি গণপরিবহন চলাচলও শুরু হয়েছে। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. আহমদ পারভেজ জাবীনের মতে, একসাথে লকডাউন তুলে নেয়াটা ঠিক হয়নি। ধীরে ধীরে লকডাউন শিথিল করলেও হতো। কারণ এখনো অনেক এলাকায় আক্রান্তের হার ৩০ শতাংশের উপরে রয়েছে। যেসকল এলাকায় আক্রান্তের হার কমে এসেছে; কেবল ওই এলাকায় লকডাউন তুলে নেয়া হলে ভালো হতো। তবুও, যেহেতু সরকার লকডাউন তুলে নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাই কঠোরভাবে স্বাস্থ্যবিধি মানার কোন বিকল্প নেই। যেভাবেই হোক স্বাস্থ্যবিধি মানতেই হবে এবং ঘরের বাইরে সকলকে মাস্ক পড়তেই হবে। এখন কিন্তু কমিউনিটি ট্রান্সমিশন নয়; ফ্যামিলি ট্রান্সমিশন হচ্ছে। ইনফ্লুয়েঞ্জা লাইক ইনলেস (অসুস্থতা) যেমন হাঁচি, কাশি বা জ্বর আছে; তাদেরকে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত কিনা দ্রুত পরীক্ষা করে জেনে নিতে হবে। করোনা ধরা পড়লে আইসোলেটেড হয়ে চিকিৎসা নিতে হবে। তিনি করোনার ভ্যাকসিন নেয়ার প্রতিও গুরুত্বারোপ করেন। সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ও বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট অধ্যাপক ডা. ময়নুল হক বলেছেন, মানুষের জীবনমান রক্ষায় সরকার লকডাউন শিথিল করেছে। করোনার সংক্রমণ চলছে। করোনা থেকে রক্ষা পেতে অবশ্যই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। গণটিকা গ্রহণের পাশাপাশি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বাইরে বের না হওয়া। সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা। বিশেষ করে কোন ধরনের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ থেকে বিরত থাকতে হবে

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ