Sobujbangla.com | করোনায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন যুবকরা
News Head
 সারজিস বলেছেন আগামীর বাংলাদেশে দাসত্ব প্রত্যাশা করি না। জি এম কাদেরের বাসা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদও করা হয় রোহিত শার্মার দুই কীর্তি এক শটে বিএসএফ ২২ জনকে পাঠালো চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে আরও। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল করেছে সিলেট জেলা মহিলা দল। সিলেটে কোম্পানীগঞ্জের বিরিজ গর্ত, দুর্ঘটনার শঙ্কা বলের চমক আফগানদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের দারুণ শুরু,। সিলেটে বিক্ষোভ ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে। ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে এই দেশ সকলের। যেকোনো মূল্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবো,। বাংলা দেশের আগামীর প্রধানমন্ত্রী গন অধিকার পরিষদ থেকেই হবে।

করোনায় বেশি আক্রান্ত হচ্ছেন যুবকরা

  |  ১৯:১৮, এপ্রিল ১৭, ২০২০

দিনকে দিন বেড়েই চলেছে করোনাভাইরাস সংক্রমিত (কোভিড-১৯) রোগে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা।গত ২৪ ঘন্টায় দেশে একদিনেই ১৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই ভাইরাসে নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে ২৬৬ জন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ১৮৩৮ জনে। তাদের মধ্যে যুবকরাই (২১ থেকে ৩০ বছর) বেশি আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন জাতীয় রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের (আইইডিসিআর) পরিচালক মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা।
শুক্রবার দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন স্বাস্থ্য বুলেটিনে যুক্ত হয়ে এ তথ্য জানান তিনি।
ডা. সেব্রিনা বলেন, ‘গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন আক্রান্ত ২৬৬ জন, যা সাকুল্যে এই পর্যন্ত সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮৩৮ জন। বয়স বিভাজনে দেখা যায় সর্বোচ্চ সংক্রমিত ব্যক্তির বয়সসীমা ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে, শতকরা ২১ ভাগ। এর পরবর্তীতে রয়েছে ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়স, শতকরা ১৯ ভাগের মতো এবং ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে, শতকরা ১৫ ভাগের মতো। মোটামুটি আমরা দেখতে পাই ২১ থেকে ৫০ বছর বয়সের মধ্যে সংক্রমণের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
আইইডিসিআর পরিচালক আরও বলেন, ‘নারী পুরুষ বিভাজনে দেখা যায় শতকরা ৬৮ ভাগ পুরুষ। আর নারী ৩২ ভাগ। জায়গার বিশ্লেষণে দেখা যায় শতকরা ৪৬ ভাগ ঢাকা শহরের। এরপরেই রয়েছে নারায়ণগঞ্জ, শতকরা ২০ ভাগ। এর পরে নতুন করে আমরা অনেক রোগী দেখতে পাচ্ছি গাজীপুরে। এর পরবর্তীতে চট্টগ্রাম, মুন্সীগঞ্জে রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে।
ঢাকা শহরে এলাকাভিত্তিক সংক্রমণের তথ্য জানিয়ে ডা. সেব্রিনা বলেন, ‘ঢাকা শহরের মধ্যে আক্রান্ত বা সংক্রমণের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে দেখেছি, বড়ভাবে যদি বলি তাহলে সেটা মিরপুরে সবচেয়ে বেশি। আমরা দেখেছিলাম টোলারবাগে সংক্রমণ বেশি ছিল। এখন মিরপুরের বিভিন্ন অঞ্চল এবং টোলারবাগের এই পুরোটা এরিয়া ধরে আমরা যদি বলি, এটা শতকরা প্রায় ১১ ভাগ। এরপরেই রয়েছে মোহাম্মদপুর এলাকা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ