ইতালিতে বেড়েই চলছে মৃত্যুর মিছিল।
করোনা ঠেকাতে এবার পুরো স্পেন লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে। নতুনভাবে ভাইরাস ছড়িয়েছে ডেনমার্কসহ বিভিন্ন দেশে। ইরানে ২৪ ঘণ্টায় ১১৩ ও ইতালিতে মারা গেছেন ১৭৩ জন। যুক্তরাষ্ট্রে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৭ জনে। ট্রাম্পের শরীরে পরীক্ষায় মেলেনি ভাইরাস। বিশ্বব্যাপী প্রাণহানি সাড়ে ৫ হাজার ছাড়িয়েছে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি ভারতের। দেশটিতে প্রাণহানি এবং আক্রান্ত বেড়ে চলায় বিভিন্ন শহরে চলছে ভাইরাস প্রতিরোধে নানা তৎপরতা। সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত মহারাষ্ট্রে। কাশ্মীরেও প্রাণ গেছে একজনের।
এক বাসিন্দা বলছেন, ‘টেলিভিশনে দেখেছি, পরিস্থিতি খুবই খারাপ হচ্চে। এক সপ্তাহ ধরে মাস্ক ছাড়া ঘরের বাইরে বেরই হচ্ছি না।
পরিচ্ছন্নতা কর্মী বলেন, ‘করোনা ঠেকাতে প্রাথমিক পদক্ষেপ হিসেবে বিভিন্ন স্থানে স্প্রে করা হচ্ছে। যাতে জনসাধারণ কিছুটা হলেও স্বস্তি ভোগ করে। হাসপাতাল, মাজার এবং মসজিদ সবখানেই স্প্রে করছি।
ইরানে নতুন করে মারা গেছে শতাধিক মানুষ। এ নিয়ে প্রাণহানি সাতশা ছাড়ালো দেশটিতে। আক্রান্ত বাড়ছে আফগানিস্তানেও। এদিকে পাকিস্তানে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে ৪ হাজারের বেশি ইরান ফেরতকে।
পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্য বিষয়ক বিশেষ সহকারী ডা. জাফর মির্জা বলেন, ‘আমাদের পশ্চিম সীমান্তবর্তী ইরান ও আফগানিস্তানের সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। আগামী দুসপ্তাহ এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।
ইতালিতে বেড়েই চলছে মৃত্যুর মিছিল। প্রাণ হারিয়েছেন বাগামো শহরের মেয়রও। ফাকা বড় শহরগুলো।
ইতালির মতো নিজ নাগরিকদের স্বেচ্ছায় কোয়ারেন্টাইনে চলে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে ফ্রান্স ও স্পেন সরকার। পরিস্থিতি মোকাবেলায় শনিবার স্পেনজুড়ে ১৫ দিনের জরুরি অবস্থা জারি করে ৪ কোটি ৭০ লাখ মানুষকে হোম কোয়ারেন্টাইনে যেতে বলেছে দেশটি। বন্ধ রেষ্টুরেন্ট, বারসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান।
এক অধিবাসী বলছেন, ‘পরিস্থিতি খুবই জটিল। জার্মানিতে আমার বাবা মা আছেন, তাদের কোনো খোঁজ জানি না।
আরেকজন বলছেন,একবার ভাবছি, দেশে যাবো, কিন্তু আবার ভাবছি, ব্রাজিলের চেয়ে এখানের চিকিৎসা ভালো। তাই এখানেই রয়ে গেছি।
চীনে আক্রান্তের হার আরও কমেছে। এদিকে, আলবেনিয়া, নর্থ ম্যাসিডোনিয়ার সঙ্গে সড়কপথে যোগাযোগ বন্ধ করেছে গ্রিস। সৌদি ফেত ১০ হাজারের বেশি মানুষকে কোয়ারেন্টাইনে রেখেছে তুরস্ক।