Sobujbangla.com | প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর গলা টিপে ধরল পুলিশ।
News Head
 সারজিস বলেছেন আগামীর বাংলাদেশে দাসত্ব প্রত্যাশা করি না। জি এম কাদেরের বাসা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদও করা হয় রোহিত শার্মার দুই কীর্তি এক শটে বিএসএফ ২২ জনকে পাঠালো চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে আরও। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল করেছে সিলেট জেলা মহিলা দল। সিলেটে কোম্পানীগঞ্জের বিরিজ গর্ত, দুর্ঘটনার শঙ্কা বলের চমক আফগানদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের দারুণ শুরু,। সিলেটে বিক্ষোভ ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে। ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে এই দেশ সকলের। যেকোনো মূল্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবো,। বাংলা দেশের আগামীর প্রধানমন্ত্রী গন অধিকার পরিষদ থেকেই হবে।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর গলা টিপে ধরল পুলিশ।

  |  ১৬:৫২, ডিসেম্বর ২৯, ২০১৯

ভারতে বিরোধী দল কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে ঘাড় ধাক্কা ও হেনস্তা করার অভিযোগ উঠেছে পুলিশের বিরুদ্ধে। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতার অভিযোগে গ্রেফতার অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে এ ঘটনা ঘটে।
প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর অভিযোগ, ওই অফিসারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার সময়ে পুলিশ শুধু তাকে আটকায়নি, তার গলা টিপে ধরেছিলেন মহিলা পুলিশের এক কনস্টেবল। এমনকি তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ারও অভিযোগ এনেছেন কংগ্রেস নেত্রী।
ভারতের আনন্দবাজার পত্রিকা, এনডিটিভিসহ একাধিক গণমাধ্যম জানিয়েছে, নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের বিরোধিতার অভিযোগে অবসরপ্রাপ্ত আইপিএস অফিসারকে গ্রেফতার করেছে লখনৌ পুলিশ। শনিবার তার পরিবারের সঙ্গে দেখতে গিয়ে লখনৌয়ের রাস্তায় যোগী আদিত্যনাথের পুলিশের সঙ্গে সরাসরি সংঘাতে জড়ান প্রিয়াঙ্কা। ওইদিন কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সেখানে গিয়েছিলেন এই কংগ্রেস নেত্রী।
প্রিয়াঙ্কা জানান, সিএএ নিয়ে বিক্ষোভের সময়ে গ্রেফতার সাবেক আইপিএস অফিসার এসআর দারাপুরী ও দলের নেত্রী সাদাফ জাফরের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে রওনা হন তিনি। কিন্তু ইন্দিরা নগরে পৌঁছনোর আগে রাস্তাতেই যোগীর পুলিশ আটকায় তাকে।
কংগ্রেস নেত্রীর দাবি, তিনি কোথায় যাচ্ছেন, তা জানতই না পুলিশ। তা সত্ত্বেও তার গাড়ি আটকানো হয়। এরপরে রাস্তায় হাঁটতে শুরু করেন তিনি। আচমকাই দলের এক কর্মীর স্কুটারের পিছনে বসে পড়েন প্রিয়াঙ্কা। পুলিশ পিছনে দৌড়াতে থাকে। তাকে থামাতে হিমশিম খেয়ে যায় পুলিশ। শেষ পর্যন্ত আটকানো হয় স্কুটারটিও। দ্রুত হাঁটতে শুরু করেন প্রিয়াঙ্কা। আটকানোর চেষ্টা করেন মহিলা পুলিশের কয়েকজন কর্মী।
এ সময় ধাক্কাধাক্কির পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। তখনও পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে যেতে সফল হন প্রিয়াঙ্কা। পরে তার অভিযোগ, তাকে হেনস্থা করেছে পুলিশ। প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘‌মহিলা পুলিশের এক কনস্টেবল আমার গলা টিপে ধরে আটকানোর চেষ্টা করেছিলেন। এমনভাবে ধাক্কা দেওয়া হয়েছে যে পড়ে গিয়েছিলাম।
শেষ পর্যন্ত কয়েক কিলোমিটার হেঁটেই প্রিয়াঙ্কা পৌঁছেন সাবেক আইপিএস অফিসারের বাড়িতে। দারাপুরীর বাড়িতে গিয়ে তার অসুস্থ স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন তিনি।
সাংবাদিকদের প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘কারণ ছাড়াই আমাকে আটকেছিল পুলিশ। ঈশ্বর জানেন, এমন কাজ ওরা কেন করল।’ পুলিশ অবশ্য প্রিয়াঙ্কাকে হেনস্থা করার অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ