Sobujbangla.com | হাসপাতালের স্ত্রী-রোগী ও প্রসূতি বিভাগ থেকে নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটেছে।
News Head
 বদলাবে প্রশ্নপত্রের ধরন, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর। আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর। তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা। জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ। বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত। শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি, বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান। ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী। জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন।

হাসপাতালের স্ত্রী-রোগী ও প্রসূতি বিভাগ থেকে নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটেছে।

  |  ১৯:১৩, নভেম্বর ১৩, ২০১৯

বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালের স্ত্রী-রোগী ও প্রসূতি বিভাগ থেকে নবজাতক চুরির ঘটনা ঘটেছে। ভূমিষ্ঠের ঘণ্টাখানেক পর নবজাতক অসুস্থ্ এবং তাকে শিশু ওয়ার্ডে নিতে হবে-এই তথ্য জানিয়ে এক নারী মায়ের কাছ থেকে ওই শিশুকে চুরি করে নিয়ে যায়। বুধবার দুপুরে এই ঘটনা ঘটলেও রাত ৮টা পর্যন্ত হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গোপন রাখে। এখন তবে পর্যন্ত চুরি যাওয়া নবজাতককে উদ্ধার করা যায় নি।
সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম বদিউজ্জামান জানান, বগুড়ার কাহালু উপজেলার বেলঘড়িয়া গ্রামের নাহিদা বেগম বুধবার দুপুর দেড়টার দিকে হাসপাতালের প্রসূতি বিভাগে একটি পুত্র সন্তানের জন্ম দেন। ঘণ্টাখানেক পর এক নারী প্রসূতি বিভাগে গিয়ে মা ও নবজাতকের সঙ্গে থাকা স্বজন ওবেদা বেগমকে জানান, তাদের বাচ্চা অসুস্থ্; তাকে শিশু ওয়ার্ডে নিতে হবে। একপর্যায়ে ওই নারী ওবেদা বেগমের কাছ থেকে শিশুটিকে কোলে নিয়ে তাকে তার সঙ্গে যেতে বলেন। দোতলা থেকে নিচতলায় নামতেই ওই নারী শিশুটিকে নিয়ে পালিয়ে যায়। দুপুরে এই ঘটনা ঘটলেও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিকেল ৫টার পর বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িতে জানায় বলেও জানান ওসি।
সন্ধ্যা ৭টার পরপরই গণমাধ্যমকর্মীরা হাসপাতালে গেলেও রাত ৯টা পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ ঘটনার কোনো তথ্য ও হাসপাতালের ছবি ধারণ করতে দেন নি। পরে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে হাসপাতালের সহকারী পরিচালক আবদুল ওয়াদুদ জানান, ভবনের উর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ কাজ চলমান থাকায় হাসপাতালের বেশিরভাগ সিসিটিভি ক্যামেরার সংযোগ বন্ধ রয়েছে। যে কারণে পুরো হাসপাতালের সিসিটিভির ফুটেজ পাওয়া সম্ভব নয়। তাই কীভাবে শিশুটি চুরি হয়েছে আপাতত নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে না। তবে যে কয়টি ক্যামেরা সচল রয়েছে সেগুলোর ফুটেজ খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ