শুদ্ধি অভিযানে অন্য দলের অপরাধীদেরও ধরা হবে: কাদের
শেখ হাসিনা আগে নিজ দলের মধ্যে শুদ্ধি অভিযান চালাচ্ছেন। তারপর ধরা হবে অন্য দলের অপরাধীদের। রোববার দুপুরে আওয়ামী লীগের চট্টগ্রাম বিভাগীয় ৬ সাংগঠনিক জেলার প্রতিনিধি সভায় এ কথা জানান দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।
আগামী ডিসেম্বরে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন। তার আগে দেশব্যাপী সংগঠন গোছানোর অংশ হিসেবে চট্টগ্রামে ৬ সাংগঠনিক জেলার এই প্রতিনিধি সভা। আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে তৃণমূলের সকল কমিটি গঠন সম্পন্নের নির্দেশ দেয়া হয় সভায়। ঘোষণা করা হয় চট্টগ্রামের বিভিন্ন জেলা শাখার সম্মেলনের দিনক্ষণ।
দলে শুদ্ধি অভিযানের মধ্যে বেশ গুরুত্ববহ হয়ে উঠে প্রায় ৩ হাজার নেতার্মীর অংশগ্রহণে এই প্রতিনিধি সভা। যেখানে মাঠপর্যায়ে সংগঠনের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেন নেতাকর্মীরা।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের কয়েকজন এমপির বিরুদ্ধে দুদকের নোটিশ রয়েছে। কয়েকজন এমপি এরইমধ্যে কারাগারে গেছে। দুদকের মামলায় আমাদের এমপি কনভিকটেড হয়েছে। কোনো কোনো সাবেক মন্ত্রীকেও আদালতে হাজিরা দিতে হয় দুর্নীতির মামলায়। তাদের আদালতে গিয়ে প্রমাণ করতে হবে তারা নির্দোষ। দল কাউকে ছাড় দেবে না। দুদককে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে।
সেতুমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নুসরাত হত্যাকাণ্ডের বিচারের মতো এত দ্রুতগতিতে কোনো মামলার বিচার এদেশে হয়নি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্ব ও দিক-নির্দেশনায় দ্রুত সময়ে মামলার চার্জশিট দেওয়া সম্ভব হয়েছে। যারা অন্যায় করে, তাদের আমরা ছাড় দেই না। এখানে সোনাগাজীর ভারপ্রাপ্ত সভাপতিরও ফাঁসির আদেশ হয়েছে।
সভায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ প্রচার সম্পাদক ও তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ বলেন, দলে ঘাপটি মেরে থাকা সুবিধাবাদীদের বের করে দিতে হবে। আর যুগ্মসম্পাদক মাহবুবুল আলম হানিফ বলেন, ক্যাসিনোকাণ্ডে কেবল আওয়ামী লীগ নয়, অন্য দলের লোকজনও জড়িত।
২৪ নভেম্বর খাগড়াছড়ি, ২৫ নভেম্বর রাঙ্গামাটি, ২৬ নভেম্বর বান্দরবান, ৩০ নভেম্বর চট্টগ্রাম উত্তর ও দক্ষিণ জেলার সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এছাড়া ১১ নভেম্বর হবে মহানগর আওয়ামী লীগের বর্ধিত সভা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীমসহ কেন্দ্রীয় নেতারা।

আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর।
তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা।
জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ।
বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত।
শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি,
বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান।
ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী।
জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। 