Sobujbangla.com | অর্থনৈতিক উন্নয়নে যত বেশি সঠিক পরিসংখ্যান, তত বেশি প্রবৃদ্ধি,
News Head
 বদলাবে প্রশ্নপত্রের ধরন, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর। আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর। তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা। জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ। বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত। শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি, বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান। ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী। জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন।

অর্থনৈতিক উন্নয়নে যত বেশি সঠিক পরিসংখ্যান, তত বেশি প্রবৃদ্ধি,

  |  ১৯:২৯, অক্টোবর ২৭, ২০১৯

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে যত বেশি সঠিক পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে, তত বেশি প্রবৃদ্ধি হবে। কৃষিশুমারি ২০১৯ এর প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম. এ. মান্নান। মন্ত্রী জানান, নির্ভুল তথ্যের ভিত্তিতে বৈজ্ঞানিক ও বাস্তবতার নিরিখে তথ্য পরিসংখ্যান কার্যক্রম পরিচালনা করলে ভবিষ্যতে এর সুফল পাওয়া যাবে।
দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে কৃষিখাত একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সেবা ও শিল্প খাতের উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি সত্ত্বেও ধারাবাহিকভাবে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও গ্রামীণ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে অর্থনীতিতে কৃষির গুরুত্ব অপরিসীম।
দেশের কৃষির পরিস্থিতি কি অবস্থায় রয়েছে, তার সঠিক তথ্য জানতে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুর ও কৃষি মন্ত্রণালয় দেশের শুরু করে কৃষি শুমারী। প্রাথমিক রিপোর্ট প্রকাশ অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সাধারণ খানার সংখ্যা পল্লী এলাকায় ৮৩ ও শহর এলাকায় সাড়ে ১৬ শতাংশ। সর্বোচ্চ অবস্থানে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। দেশের মৎস্যজীবী সর্বমোট খানা ২ দশমিক আট শূন্য শতাংশ। যার মধ্যে সর্বোচ্চ বরিশাল বিভাগ।
জানানো হয়, শুমারীর প্রধান উদ্দেশ্য সকল খানার কৃষি কাঠামো ও বৈশিষ্ট নিরূপন। সেই সাথে শস্য, মৎস, প্রাণিসম্পদসহ পোল্ট্রি উপ-খাতে বড় পরিসরে কাঠামোগত পরিবর্তন প্রস্তুত করা। এ সময় পরিকল্পনামন্ত্রী অর্থনৈতিক উন্নয়নে সঠিক পরিসংখ্যানের উপর জোর দেন
প্রতিবেদনে দেখা যায়, দেশের সাড়ে ২৫ শতাংশ খানার ন্যূনতম একজন সদস্য কৃষি মজুরির ওপর নির্ভরশীল। জমি নেই এমন ভূমিহীন খানার সংখ্যা সাড়ে ১১ শতাংশ। শহর এলাকার খানার মধ্যে সাড়ে ২৮ শতাংশ সম্পূর্ণরূপে ভূমিহীন খানা। পল্লী এলাকায় যা ৭ দশমিক আট ছয় শতাংশ।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ