Sobujbangla.com | দ্বিতীয় মেয়াদে কানাডার মসনদে বসছেন ট্রুডো
News Head
 সারজিস বলেছেন আগামীর বাংলাদেশে দাসত্ব প্রত্যাশা করি না। জি এম কাদেরের বাসা ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদও করা হয় রোহিত শার্মার দুই কীর্তি এক শটে বিএসএফ ২২ জনকে পাঠালো চুনারুঘাট সীমান্ত দিয়ে আরও। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৪তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে দোয়া মাহফিল করেছে সিলেট জেলা মহিলা দল। সিলেটে কোম্পানীগঞ্জের বিরিজ গর্ত, দুর্ঘটনার শঙ্কা বলের চমক আফগানদের বড় ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়া কাপে বাংলাদেশের দারুণ শুরু,। সিলেটে বিক্ষোভ ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে। ধর্ম বর্ন নির্বিশেষে এই দেশ সকলের। যেকোনো মূল্যে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে হবো,। বাংলা দেশের আগামীর প্রধানমন্ত্রী গন অধিকার পরিষদ থেকেই হবে।

দ্বিতীয় মেয়াদে কানাডার মসনদে বসছেন ট্রুডো

  |  ২০:১৪, অক্টোবর ২২, ২০১৯

কানাডার ৪৩তম সাধারণ নির্বাচনে ১৫৫ আসন পেয়ে এগিয়ে গেছে প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর দল লিবারেল পার্টি। এ পরিপ্রেক্ষিতে টানা দ্বিতীয়বারের মতো সরকার গঠন করতে যাচ্ছেন ট্রুডো। যদিও এককভাবে সরকার গঠন করতে পারছেন না তিনি। প্রয়োজন একটি দলের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হওয়া।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ভোটগণনার এমনই তথ্য আসে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে। এর আগে সোমবার (২১ অক্টোবর) দেশটিতে সাধারণ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শেষ হয়।
৩৩৮ আসনের এই নির্বাচনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে প্রয়োজন ১৭২ আসনের। কিন্তু ক্ষমতাসীন লিবারেল পার্টি পেয়েছে ১৫৫টি। এ হিসেবে এবারই প্রথম দলটি সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারালো। এছাড়া তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যান্ড্রু শির কনজারভেটিভ পার্টি পেয়েছে ১২২টি আসন। এছাড়া অন্যান্য দলের মধ্যে- ব্লক কুইবেকোইস ৩২টি, নিউ ডেমোক্রেট পার্টি ২৫টি, গ্রিন পার্টি তিনটি ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট পেয়েছে একটি আসন।
এবারের নির্বাচনে অংশ নেওয়া উল্লেখযোগ্য ছয়টি দলের মধ্যে মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল প্রধানমন্ত্রী ও লিবারেল পার্টির নেতা জাস্টিন ট্রুডো এবং কনজারভেটিভ পার্টির নেতা অ্যান্ড্রু শির মধ্যে।
বিভিন্ন প্রতিশ্রুতির অঙ্গীকারে ২০১৫ সালে দেশটির ২৩তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ক্ষমতায় আসেন জাস্টিন ট্রুডো। তবে ক্ষমতায় থাকাকালীন-ই স্ক্যান্ডালে জড়িয়ে পড়েন তিনি। যা নিয়ে উত্থান-পতনের মধ্য দিয়েই যাচ্ছিল তার দিন। ফলে ক্ষমতার ৪ বছর শেষে প্রশ্ন উঠেছে ট্রুডো সরকারের সক্ষমতা নিয়ে।
এদিকে ইতোমধ্যে জয় উদযাপন শুরু করেছে ট্রুডোর লিবারেল পার্টির কর্মী-সমর্থকরা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ