Sobujbangla.com | জি কে শামীমকে চেনেন না রত্না ও মিষ্টি
News Head
 বদলাবে প্রশ্নপত্রের ধরন, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর। আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর। তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা। জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ। বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত। শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি, বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান। ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী। জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন।

জি কে শামীমকে চেনেন না রত্না ও মিষ্টি

  |  ১৫:১৯, অক্টোবর ০১, ২০১৯

টেন্ডার কিং যুবলীগ নেতা জি কে শামীম গ্রেপ্তারের পর আলোচনায় উঠে আসে, চলচ্চিত্রের চার নায়িকার নাম। বিপুল অর্থের কাজ পেতে রত্না, মিষ্টি জান্নাত, শিরীন শিলা ও রাহা তানহা খানকে ব্যবহার করতেন তিনি। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন, রত্না ও মিষ্টি জান্নাত। তাদের দাবি, জি কে শামীমকে চেনেন না। শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক বলছেন, যে সব গণমাধ্যম গুজব রটাচ্ছে, শিল্পীরা তাদের বিরুদ্ধে মানহানি মামলা করতে চাইলে পাশে থাকবে সমিতি।
ক্যাসিনো কান্ডে তোলপাড় রাজধানী, উত্তপ্ত দেশ। র‍্যাবের শুদ্ধি অভিযানে বেরিয়ে আসছে একের পর এক থলের বিড়াল।
অপকর্মের এই তালিকার এক নাম জি কে শামীম। সেই টেন্ডার কিং এর থলে থেকে বেড়িয়েছে চলচ্চিত্রের চার নায়িকার নাম। গণমাধ্যমে প্রকাশ পায় অপকর্মের অনেক চিত্রনাট্যে। এতে চিত্রনায়িকারাও ছিলেন জি কে’র সহযোগী।
গত ২০ সেপ্টেম্বর জি কে শামীম গ্রেপ্তার হলে গণমাধ্যমে উঠে আসে তার নানা অপকর্মের কাহিনী। জানা যায় রত্না, মিষ্টি জান্নাত, শিরীন শিলা ও রাহা তানহা খানের সাথে তার বিশেষ সম্পর্কের কথা।
টেন্ডারসহ বড় কাজ পেতে এই চার নায়িকাকে ব্যবহার করতেন জি কে শামীম। যদিও সব অভিযোগই উড়িয়ে দিয়েছেন রত্না ও মিষ্টি জান্নাত।
মিষ্টি জান্নাত বলেন, আমি তার নামটা ওইদিনই শুনছি যেদিন অনেক টাকা উদ্ধার করা হয়। আমার এখনও ব্র্যাক ব্যাংকে একটা লোন আছে। আপনারা খোঁজ নিতে পারেন। আর আমার শোরুম শুরু করেছি তিন বছরে হয়েছে। তখন কেন কথাটা উঠেনি। আমার রেস্টুরেন্টের দু’বছর হয়েছে। তখন কেন উঠেনি।
নায়িকা রত্না বলেন, পড়াশোনা করেছি কি ভেবে, বড়জোর ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতনের একটা চাকরি পাবো। আর এই চাকরী করার কারণটা কি? চলচ্চিত্রে যখন আমার ক্যারিয়ার থাকবে না তখন কি করব? এই চিন্তা থেকে পড়াশোনা। আর যার পেছনে একজন জি কে শামীম আছে সে ৩০-৪০ হাজার টাকা বেতনের চাকরীর জন্য যাবে কেন? যার পায়ের নিচে ১০ কোটি টাকা পাওয়া যায়।
এই দুই নায়িকার দাবি, তারা চক্রান্তের শিকার। আর যারা ছড়াচ্ছে এসব তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ারও কথা জানান দুজন।
রত্না বলেন, পুর্বের কোন শত্রুতা বা কোন অনৈতিক কাজ আমার সাথে করতে চেয়েছিল কিন্তু আমি জোরালো প্রতিবাদ করেছি, সেই প্রতিবাদের প্রতিশোধ নিয়েছে।
মিষ্টি জান্নাত বলেন, কল লিষ্টে যদি আমার নাম্বার থেকে, তাহলে আমার কি করার আছে? আমি সেলিব্রেটি, আমার নাম্বার সবার কাছে থাকতে পারে। তাহলে তার ফোনটা ট্র্যাকিং করা হোক। আমার সাথে কখনো কথা হয়েছিল কি না বা আমার নাম্বারে কোন কল এসছিলো কি না।
এদিকে, অভিযোগ ওঠা চার নায়িকার পাশে দাঁড়ানোর কথা জানিয়েছে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক জানান, কেউ মানহানীর মামলা করতে চাইলেতাকে পূর্ণ সহযোগিতা করবে সমিতি।
তবে তদন্তের পর যদি সত্যতা মেলে কোন শিল্পীর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ সেক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছেন শিল্পী সমিতির এই নেতা।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ