Sobujbangla.com | আমরা কথা বললেই রাজার সঙ্গে শত্রুতা হয়ে যায়: সুলতানা কামাল
News Head
 বদলাবে প্রশ্নপত্রের ধরন, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর। আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর। তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা। জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ। বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত। শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি, বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান। ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী। জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন।

আমরা কথা বললেই রাজার সঙ্গে শত্রুতা হয়ে যায়: সুলতানা কামাল

  |  ১৫:৩৩, সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯

আওয়ামী লীগ দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায়। আমি বিশ্বাস করি, আওয়ামী লীগ জনমানুষের দল ও মুক্তিযুদ্ধে তারা নেতৃত্ব দিয়েছে। অন্য যেকোনো দলের তুলনায় মানুষের সঙ্গে সম্পৃক্ততাও বেশি। কিন্তু দলটি নাগরিকদের নাগরিকবোধটা দিতে চরমভাবে ব্যর্থ। বরং ক্রমশ তাদের বিচ্ছিন্ন করে দেয়া হয়েছে। আমরা এখন প্রজায় পরিণত হয়েছি।’কথাগুলো বলেছেন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল।
শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে যাত্রী অধিকার দিবসের ঘোষণা উপলক্ষে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।
এ সময় পাশে বসা সংসদ সদস্য মইনউদ্দিন খাঁন বাদলকে দেখিয়ে সুলতানা কামাল বলেন, উনারা আমাদেরকে কিছু বলতে বলেন। অথচ উনারা সংসদ সদস্য। জনগণের কথা উনাদেরই বলার কথা। আমরাই যদি বলতে থাকি তাহলে সংসদ আছে কীসের জন্য?
তিনি আরও বলেন, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা নিতে বাদল ভাইদের পারমিশন দেয়া হয়েছে। আমাদের তো কোনো পারমিশনই দেয়া হয়নি। আমাদের বলা হচ্ছে তোমরা কারা? আমরাই (সরকার) সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতা এসেছি, যা খুশী তাই করব। তোমরা কারা? আমরা কথা বললেই তো রাজার সঙ্গে শত্রুতা হয়ে যায়। সত্য কথা বলার কারণেই মিথ্যা মামলায় যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরীকে জেলে যেতে হয়েছে।
যাত্রী অধিকার দিবস পালনের সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে সুলতানা কামাল বলেন, ‘প্রত্যেকটি সরকার জোর গলায় বলে তারা নাকি জনগণকে সেবার দেয়ার জন্যই কাজ করেন। ভালো করার জন্য সরকারে যান। একটু প্রমাণ করে দেখান, রাস্তায় আমরা যারা চলাচল করি তাদের নিরাপত্তাবিধান করতে আপনারা ব্যর্থ হননি।
সুলতানা কামাল বলেন, ‘যে বাসগুলো রাস্তায় নামানো হয়, সেগুলো কারা নামায়, কার পারমিশনে রাস্তায় চলে। এখন বাসে উঠে আমি সিট পাবো কি না, বসতে পারবো কি না, জান নিয়ে গন্তব্যে যেতে পারবো কি না, নারীরা মান-সম্মান নিয়ে, ধর্ষিত না হয়ে গন্তব্যে পৌঁছতে পারবো কি না সে সমস্যাও এসে দাঁড়িয়েছে। এর দায়-দায়িত্ব কে নেবে? কেউই দায় নিচ্ছি না। বরং অন্যের ওপর দায়টা ছেড়ে দিচ্ছি।
মানবাধিকার কর্মী সুলতানা কামাল বলেন, ‘আমি মুক্তিযুদ্ধ করেছি। দেশের যে কোনো সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে অংশ নিয়েছি। আমার জন্য অত্যন্ত গর্বের বিষয় যে আমাদের অর্থনীতি হংকং, সিঙ্গাপুরকে ছাড়িয়ে গেছে।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সংসদ সদস্য মঈন উদ্দীন খান বাদল, গণসংহতি আন্দোলনের সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি, পরিবহন নেতা হোসেন আহমদ মজুমদার, যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী, সাংবাদিক আবু সাঈদ খান, ফাহমিদুল হক লিটন।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ