পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে রাজি মিয়ানমারের জান্তা সরকার।
রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের জান্তা সরকার রাজি হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন। বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত চীনা রাষ্ট্রদূত লি জিমিং-এর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী। মন্ত্রী বলেন, চীনের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে রোহিঙ্গা ইস্যুতে আলোচনা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবর্তন নিয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত নির্দিষ্টভাবে কোনো সুখবর দিতে পারেননি। তবে বলেছেন, মিয়ানমারের বর্তমান সরকার প্রত্যাবাসনে রাজি। কিন্তু প্রক্রিয়া সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারণা দিতে পারেনি। এমনকি নির্দিষ্ট তারিখও বলতে পারেননি চীনের রাষ্ট্রদূত। ড. মোমেন বলেন, রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে মিয়ানমারের সরকার ওখানকার দলিল চায়। সেটা একটা সমস্যা।অনেকের কাছেই ডকুমেন্ট নেই। বাংলাদেশ দলিলের জটিলতায় যেতে চায় না। নিতে হলে সবাইকেই নিতে হবে। তিনি বলেন, বর্ডারের জিরো লাইনে ৫ হাজার রোহিঙ্গা আছে। চীনকে বলেছি তাদের মিয়ানমারের ভিতরে নিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নিতে। উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমার থেকে দল বেঁধে বাংলাদেশে আসতে শুরু করেছিল রোহিঙ্গারা। মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে নির্মম নির্যাতনের মুখে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের মানবিক কারণে আশ্রয় দেয় বাংলাদেশ সরকার। ওই সময় সাড়ে সাত লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া হয়। অবশ্য এর আগে সাড়ে তিন লাখ রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়া হয়েছিল।

গণভোটে পক্ষে প্রচার চালাতে সরকারি কর্মকর্তাদের আইনগত বাধা নেই: আলী রীয়াজ।
র্যাব, হবিগঞ্জে পরিত্যক্ত এয়ারগান উদ্ধার,।
চোরাই পথে আনা ভারতীয় কমলা জব্দ, আটক ২,
৩ শর্তে সবাইকে নিয়ে দেশ গড়ার প্রতিশ্রুতি।
বড় দলগুলোর প্রচারণার সূচনা ঘটে সিলেট থেকে কেন,।
বিশেষ দুই দলকে প্রাধান্য দিচ্ছে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্টরা: মির্জা আব্বাস বলেন।
এদেশের মানুষ ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে যারা ফ্যাসিবাদের সহযোগী তারাই ‘না’ ভোট চাচ্ছে: উপদেষ্টা।
আরেক শুটার গ্রেপ্তার, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতাকে গুলি করে হত্যায় ।
আর্থিক ক্ষতি হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ না খেললে বাংলাদেশের। 