সিলেটের প্রবীণ পাঁচ নেতা পদ পাওয়ার আশায় অপেক্ষায় আছেন
বাংলাদেশ আওয়ামীগের ২১ জাতীয় সম্মেলন শেষ হয়েছে গত শনিবার। দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলনে শনিবার শেষ দিনে দলটির বিভিন্ন পদে নেতাদের নাম ঘোষণা করা হয়। তবে ঘোষিত হয়নি পূর্ণাঙ্গ কমিটি।
দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, আগামীকাল মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্যদের বৈঠক আছে। এ বৈঠকে আলোচনা করে পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষিত হতে পারে।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি হয় ৮১ সদস্যের। তবে সম্মেলনের শেষ দিনে ৪২ জনের নাম ঘোষণা করা হয়। বাকি ৩৯ সদস্যের নাম আগামী মঙ্গলবার ঘোষণা করা হতে পারে।
পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণার দিকেই এখন সিলেট আওয়ামী লীগের অন্তত ৫ নেতার চোখ নিবদ্ধ রয়েছে। এসব নেতারা হলেন- এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, বদর উদ্দিন আহমদ কামরান, অধ্যাপক রফিকুর রহমান, শফিকুর রহমান চৌধুরী ও আসাদ উদ্দিন আহমদ। তন্মধ্যে তিনজন আওয়ামী লীগের আগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ছিলেন।
জানা গেছে, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে ঘোষিত ৪২ জনের মধ্যে সিলেটের এসব নেতাদের কারো নাম নেই। ফলে এসব নেতা এখন বাকি ৩৯ সদস্যের তালিকায় আসার অপেক্ষায় রয়েছেন। বিশেষ করে আগের কমিটির মিসবাহ, কামরান ও রফিকুর এবারও কমিটিতে জায়গা করে নিতে চাইছেন। অন্যদিকে, শফিক ও আসাদ প্রথমবারের মতো কেন্দ্রে জায়গা পাওয়ায় আশায় আছেন।
জানা গেছে, এডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ টানা তিন মেয়াদে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রথম দুই মেয়াদে তিনি সিলেট বিভাগীয় দায়িত্ব পালন করেন। শেষ মেয়াদে ময়মনসিংহ বিভাগের দায়িত্ব পালন করেন তিনি। তবে দলের এবারের সম্মেলনে তিনি পদ হারিয়েছেন।
বদর উদ্দিন আহমদ কামরান ছিলেন সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। গেল ৫ ডিসেম্বর জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলনের পর দীর্ঘ প্রায় দুই দশক পর তিনি মহানগরের সভাপতির পদ হারান। আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের পর নির্বাহী সদস্য হয়েছিলেন কামরান। এবার ২১তম সম্মেলনের পর তিনি একই পদ কিংবা পদোন্নতি পাবেন বলে আশা করছেন।
একই আশায় আছেন অধ্যাপক রফিকুর রহমান। আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলনের পর তাকে নির্বাহী সদস্য করা হয়। বর্তমানে তিনি মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান।
এদিকে, গেল ৫ ডিসেম্বর পদ হারান সিলেট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী ও মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আসাদ উদ্দিন আহমদ। ওইদিন জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন হয়।

আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর।
তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা।
জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ।
বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত।
শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি,
বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান।
ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী।
জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। 