বিদ্যালয়ে শিশুদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে : জেলা প্রশাসক
জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে প্রাথমিক পর্যায়ের মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যালয়ে শিশুদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করার জন্য শ্রেণিকক্ষ আকর্ষণীয় করা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে এবং সুনামগঞ্জ জেলার সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিকক্ষ সজ্জিতকরণ করা হয়েছে যাতে করে শিশুরা বিদ্যালয়মুখী হয়। বিদ্যালয়ের পরিবেশ আকর্ষণীয় হলে শিশুরা বিদ্যালয়মুখী হবে এবং ঝড়ে পড়া কমবে।
রোববার সুনামগঞ্জক জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার শহর বালিকা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি শ্রেণি কক্ষে শিশুদের সাথে সাধারণ জ্ঞান বিষয়ে পাঠদান করান।
বিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু কর্ণার ও মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার এবং প্রাক প্রাথমিক শ্রেণি কক্ষ পরিদর্শন করেন। পরে জেলা প্রশাসক সদর উপজেলার বারঘর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্ণার উদ্বোধন করেন ও শিশুদের মাঝে খেলাধুলার সামগ্রী বিতরণ করেন। পরবর্তীতে তিনি গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শন করেন। এসময় তিনি প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণি কক্ষে শিশুদের সাথে কিছু সময় অতিবাহিত করেন।
পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশত বার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখার জন্য “মুজিব বর্ষে” এ জেলার ১০০০টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বঙ্গবন্ধু কর্ণার ও মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার স্থাপন; ১৪৬৬টি প্রাক প্রাথমিক শ্রেণি কক্ষ সজ্জিতকরণ; বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ প্রতিযোগিতা আয়োজন; মুজিব বর্ষে উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু কর্ণার ও মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগার হতে শিশুদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের পাঠ চর্চা ও প্রতিযোগিতার আলোজন এবং ঝড়ে পড়ার হার কমানোর জন্য শ্রেণি কক্ষ ও পাঠদান কার্যক্রম আকর্ষণীয় করণের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে এবং বাস্তবায়নের কাজ চলছে। তাছাড়া সকল স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষের পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার জন্য ডাস্টবিন প্রদান করা হচ্ছে। আগামী প্রজন্মের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর জীবন ও কর্ম এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ছড়িয়ে দেয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুধাবনের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্থাপিত বঙ্গবন্ধু কর্ণার ও মুক্তিযুদ্ধ পাঠাগারে নিয়মিত ক্লাসের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, হাওরবেষ্টিত জেলা হওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থার দুর্গমতার কারণে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ঝরে পড়া রোধ করার জন্য ও শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির জন্য পৃথক নিরাপদ স্যানিটেশন ব্যবস্থা কার্যকর করা হচ্ছে।
পরিদর্শনকালে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইয়াসমিন নাহার রুমা, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো: জিল্লুর রহমান, সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব বাবর আলীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর।
তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা।
জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ।
বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত।
শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি,
বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান।
ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী।
জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। 