Sobujbangla.com | আ.লীগের কাউন্সিলে জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষিত: ফখরুল
News Head
 বদলাবে প্রশ্নপত্রের ধরন, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর। আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর। তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা। জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ। বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত। শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি, বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান। ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী। জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন।

আ.লীগের কাউন্সিলে জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষিত: ফখরুল

  |  ১৮:৪৬, ডিসেম্বর ২১, ২০১৯

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ২১তম কাউন্সিল নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগের কাউন্সিলে চলমান সংকট উত্তরণে কোনো দিকনির্দেশনা নেই।
শনিবার দুপুরে আওয়ামী লীগের কাউন্সিল নিয়ে সাংবাদিকদের করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ হতাশা ব্যক্ত করেন।
ফখরুল বলেন, ‘গণতন্ত্রহীন একটা অবস্থা, সংবিধানকে পুরোপুরি নস্যাৎ করে উপেক্ষা এবং একদলীয় একটা শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ প্রায় এক দশক ধরে কাজ করছে। আমরা তাদের সম্মেলনে দেখতে পেলাম, সেই কথাগুলোই আবার সামনে এসেছে। ফলে জাতি সম্পূর্ণভাবে হতাশ হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘জাতির একটা প্রত্যাশা ছিল যে, হয়তোবা কাউন্সিলের মাধ্যমে গণতন্ত্র উত্তরণের একটা পথ দেখা যাবে। কিন্তু তাদের (আওয়ামী লীগ) সম্মেলনে সেই পথ তারা দেখাতে পারেনি। সে সঙ্গে সম্মেলনে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক উন্নয়ন, রাজনৈতিক যে উন্নয়ন এ সংকট উত্তরণের জন্য কোনো দিকনির্দেশনা দিতে তারা ব্যর্থ হয়েছে।
ফখরুল বলেন, ‘এখানে ব্যক্তি ও দলের প্রশংসা যেটাকে আমরা বলি, বন্ধনা করা হয়েছে। কিন্তু জাতির যে সংকট সেই সংকট উত্তরণের জন্য বেশি কিছু এই সম্মেলনে আসেনি।
তিনি বলেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে তাদের যে অবস্থান অর্থাৎ একদলীয় শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করবার লক্ষ্যে তারা এগিয়ে যাচ্ছে। জনগণের যে আশা-আকাঙ্ক্ষা যেটা গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা সেটা উপেক্ষা করা হচ্ছে।
বিএনপির কাউন্সিল কবে হবে? এমন প্রশ্নে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আপনারা জানেন যে, আমরা একটা প্রচণ্ড বৈরী ও প্রতিকূল অবস্থার মধ্যে দিয়ে রাজনীতি করছি। আমাদের রাজনীতির যে স্পেস দরকার আমরা এখানে পাচ্ছি না। যার ফলে আমাদের যে স্বাভাবিক কার্যক্রম সেটা আমরা পরিচালনা করতে পারি না। বেশিরভাগ জায়গায় আমাদের কাউন্সিল করতে দেয়া হয় না। বিশেষ করে জেলা ও উপজেলাগুলোতে। এর মধ্যেও আমরা কাজ করছি। আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমাদের সংগঠনকে গুছিয়ে আনা হচ্ছে। আমরা যত দ্রুততর সময়ে এটা শেষ করব এবং এরমধ্যেই হয়তোবা আমরা কাউন্সিল করার চেষ্টা করব।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ