Sobujbangla.com | নিজেই স্ত্রীর মস্তক বিচ্ছিন্ন করেছেন মোজাম্মিল
News Head
 বদলাবে প্রশ্নপত্রের ধরন, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর। আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর। তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা। জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ। বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত। শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি, বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান। ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী। জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন।

নিজেই স্ত্রীর মস্তক বিচ্ছিন্ন করেছেন মোজাম্মিল

  |  ১৮:৩৫, ডিসেম্বর ১৯, ২০১৯

দেহ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয় মস্তক। কেটে ফেলা হয় উরুর মাংস। বিচ্ছিন্ন করা হয় বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গও। এরপর মরদেহ বিবস্ত্র করে রাখা হয় হাওরের ধানক্ষেতে। নির্মম এ হত্যাকাণ্ডের শিকার হতভাগ্য নারীর নাম স্বর্ণা সাহা ওরফে শাহনাজ। ভালোবেসে যার হাত ধরে ধর্মান্তরিত হয়ে সংসার গড়েন শাহনাজ, সেই স্বামী-ই এ হত্যায় জড়িত। গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে খুনের রোমহর্ষক বর্ণনা দিয়েছে স্বর্ণার স্বামী মো. মোজাম্মিল (২৪)।
হত্যাকাণ্ডের ১৭ দিনের মাথায় ১৬ ডিসেম্বর মধ্যরাতে ওসমানীনগর উপজেলার নিজ বুরুঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। মুজাম্মিল স্থানীয় গোয়ালাবাজার দক্ষিণ কলারাই এলাকার মৃত জিলু মিয়ার ছেলে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুজাম্মিল জানায়, পারিবারিক কলহ থেকে গত ৩০ নভেম্বর রাতে কৌশলে স্ত্রীকে হাওরে নিয়ে হত্যা করা হয়। পরে মরদেহ ফেলে রাখা হয় সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার বুরুঙ্গা যুগনীঘর বিলের ধানক্ষেতে।
গত ২ ডিসেম্বর রাত ৮টার দিকে ধানক্ষেত থেকে নারীর মস্তকবিহীন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মরদেহের সুরতহাল দেখে অনেকটা ভড়কে যান পুলিশ কর্মকর্তারাও। এর ৮ দিনের মাথায় ১০ ডিসেম্বর মস্তকটি যুগনীঘর বিল থেকেই উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় থানার এসআই শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে অজ্ঞাত আসামি করে হত্যা মামলা করেন।
ওসমানীনগর থানার ওসি (তদন্ত) মাইন উদ্দিন বলেন, মুজাম্মিল হত্যাকাণ্ডের থাকার কথা স্বীকার করেছেন। গ্রেফতারের পর তিনি পুলিশের কাছে স্বীকার করেন, স্বর্ণা সাহা ওরফে শাহনাজকে খ্রিস্টান থেকে মুসলমান করে বিয়ে করেন তিনি। তারা ওসমানীনগরের গোয়ালাবাজার দক্ষিণ কলারাই এলাকায় বসবাস করতেন। পরিবারিক কলহের জের ধরে গত ৩০ নভেম্বর দিনগত রাতে ফুসলিয়ে কৌশলে তাকে যুগনীঘর হাওরে নিয়ে যান। সেখানে মুজাম্মিল শাহনাজকে গলাকেটে হত্যার পর মস্তক ছিন্ন করে অন্যত্র ফেলে দেন। তার সঙ্গে আরও কয়েকজন অংশ নেন হত্যাকাণ্ডে।
তিনি বলেন, হত্যাকাণ্ডে কয়জন জড়িত তা এখনই বলা যাচ্ছে না। তবে মুজাম্মিল সরাসরি জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। এটা পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড ছিল।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ