Sobujbangla.com | প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে সচেতন থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী
News Head
 বদলাবে প্রশ্নপত্রের ধরন, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর। আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর। তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা। জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ। বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত। শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি, বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান। ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী। জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন।

প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে সচেতন থাকতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

  |  ২২:৪৮, ডিসেম্বর ১৪, ২০১৯

সবাইকে দায়িত্বশীল ও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভবিষ্যতে বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে সেই দায়িত্ব জনগণকে নিতে হবে। এজন্য প্রজন্ম থেকে প্রজন্মকে সচেতন থাকতে হবে।
শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনিস্টিটিউশন মিলনায়তনে শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি এ আহ্বান জানান,
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘এই বাংলাদেশের মাটি এখানে আমরা দেখি সেই মীর জাফর, মোশতাক থেকে শুরু করে বেঈমানের জন্ম বারবার হয়েছে। খুনি জিয়ার মতো বারবার খুনিরা এসেছে।
কিন্তু ভবিষ্যতে আর এদেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে কেউ যেন ছিনিমিনি খেলতে না পারে সেই দায়িত্ব বাংলাদেশের জনগণকে নিতে হবে। আমাদের তরুণ সমাজকে নিতে হবে। প্রজন্মের পর প্রজন্মকে এ ব্যাপারে সচেতন থাকতে হবে।
তিনি বলেন, ‘স্বাধীন বাংলাদেশ জাতির পিতা দিয়ে গেছেন, এই স্বাধীনতাকে সমুন্নত রেখে বাংলাদেশ যেখানে অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, রাজনৈতিকভাবেও সেভাবে এগিয়ে যাবে। বিশ্বসভায় যেন বাংলাদেশ মর্যাদা নিয়ে চলতে পারে। তাহলেই শহীদের আত্মত্যাগ এবং তাদের মহান অবদান চির ভাস্বর হয়ে থাকবে।
শহীদের আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায়নি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বুদ্ধিজীবীদের মধ্যে যারা এদেশের জন্য জীবন দিয়ে গেছেন, যাদের নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাদের নামটাও মুছে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু সেটাতো মুছে ফেলতে পারেনি। কারণ আত্মত্যাগ কখনো বৃথা যায় না। কখনো বৃথা যায় নাই। সেটা প্রমাণ হয়েছে এখন বাংলাদেশে।
শেখ হাসিনা বলেন, ‘জাতির পিতার যে স্বপ্ন ছিল দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো বাংলাদেশকে সেভাবে গড়ে তুলতে চাই। সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের প্রতিটি লক্ষ্যই হচ্ছে দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানো।
তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রতিটি কাজ আপনারা দেখবেন- একেবারে তৃণমূলে মানুষের ভাগ্য কিভাবে পরিবর্তন করবো সেখান থেকে আমাদের সব পরিকল্পনা। তাদের সহযোগিতা করে যাচ্ছি, এই দেশের যেন কোনোদিন আর কারও কাছে হাত পেতে চলতে না হয়।’

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ