Sobujbangla.com | রূপপুর বালিশকাণ্ড: গণপূর্তের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ১৩ জন কারাগারে
News Head
 বদলাবে প্রশ্নপত্রের ধরন, মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা ১২ ডিসেম্বর। আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর। তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা। জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ। বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত। শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি, বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান। ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী। জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের ২ কর্মকর্তাকে গ্রেফতার দাবিতে মানববন্ধন।

রূপপুর বালিশকাণ্ড: গণপূর্তের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীসহ ১৩ জন কারাগারে

  |  ১৮:৩২, ডিসেম্বর ১২, ২০১৯

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বালিশ কাণ্ডে জড়িত গণপূর্তের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলীসহ গ্রেপ্তার ১৩ জনের ঠাঁই হয়েছে কারাগারে। এর আগে রাজধানীর বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। পরে আদালতে হাজির করা হলে, তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেয়া হয়।
বেশ কয়েকদিন ধরেই আলোচনায় রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের আবাসন প্রকল্প। অস্বাভাবিক দামে আসবাবপত্র কেনার অভিযোগে একে একে দুদকের জালে ধরা পরের তারা।
গণপূর্ত বিভাগের সাবেক নির্বাহী প্রকৌশলী মাসুদুল আলমসহ ১১জন প্রকৌশলী ও ২ জন ঠিকাদার কেনাকাটার মাধ্যমে ৩১ কোটির বেশি টাকা আত্মসাতের প্রমাণ পায় দুদক।
তাদের বিরুদ্ধে সকালে পাবনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে ৪টা মামলা করে দুদক। এরপরপরই রাজধানীর বিভিন্ন জায়গা থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করে দুদক।
গতমাসে গণপূর্তের ২৯ প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। এই ঘটনায় অনুসন্ধান করে মন্ত্রণালয়ও। সেখানেও এই জালিয়াতির বিষয়টি উঠে আসে।
বালিশ কাণ্ডের মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করার কথা জানিয়েছেন দুদক চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ।
অভিযোগে বলা হয়, রূপপুর পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের আবাসিক প্রকল্পে একটি বালিশের পেছনে ব্যয় দেখানো হয়েছে ৬ হাজার ৭১৭ টাকা। একইভাবে টেলিভিশন, খাট, রেফ্রিজারেটর, বৈদ্যুতিক চুলা, বৈদ্যুতিক কেটলি, রুম পরিষ্কারের মেশিন, ইলেকট্রিক আয়রন, মাইক্রোওয়েভ ইত্যাদি কেনাকাটা ও ভবনে তুলতে অস্বাভাবিক খরচ দেখানো হয়। এরইমধ্যে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের তদন্তে ৬২ কোটি ২০ লাখ ৮৯ হাজার টাকার অনিয়মের তথ্য উঠে আসে। যেখানে চুক্তিমূল্যের চেয়ে ৩৬ কোটি ৪০ লাখ টাকা বেশি সরকারি কোষাগারে ফেরত আনতে সুপারিশসহ বিষয়টি দুদকে পাঠানো হয়।
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বালিশকাণ্ডসহ দুর্নীতির বিভিন্ন অভিযোগের বিষয় গত ১৭ অক্টোবর দুদক কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান দল গঠন করা হয়। অনুসন্ধান দলের অপর দুই সদস্য হলেন দুদকের সহকারী পরিচালক মো. আতিকুর রহমান ও উপ-সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ শাহজাহান মিরাজ।
রূপপুর প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বসবাসের জন্য নির্মাণাধীন গ্রিন সিটি আবাসন প্রকল্পের ২০ ও ১৬ তলা ভবনের আসবাব ও প্রয়োজনীয় মালামাল কেনা ও ভবনে উত্তোলন কাজে অস্বাভাবিক ব্যয় নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রতিবেদন প্রকাশ হলে গত ১৯ মে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় দুটি তদন্ত কমিটি গঠন করে।

এ বিভাগের অন্যান্য সংবাদ