কুষ্ঠ রোগীদের মানবিক দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর
কুষ্ঠ রোগীদের দূরে সরিয়ে না রেখে মানবিক দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সকালে রাজধানীর একটি হোটেলে ২০৩০ মধ্যে কুষ্ঠ সম্পূর্ণ নির্মূল করার লক্ষে আয়োজিত জাতীয় সম্মেলনে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে সনাক্ত করা গেলে, সহজেই এ রোগ নির্মূল করা সম্ভব। আহ্বান জানান, আক্রান্তদের সমাজে সহাবস্থান নিশ্চিত করার।
একটি প্রাচীন সংক্রামক চর্মরোগ কুষ্ঠ। বর্তমানে বিশ্বে ১৩২টি দেশে এই রোগে আক্রান্ত রোগী আছে, যার ৭১শতাংশই দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ায়। সরকারি হিসাবে বাংলাদেশে এই রোগীর সংখ্যা ৩ হাজার ৭২৯ জন।
২০৩০ সালের মধ্যে কুষ্ঠরোগমুক্ত দেশ গড়ার লক্ষ্য সামনে রেখে ঢাকায় শুরু হয়েছে, জাতীয় লেপ্রেসি সম্মেলন, বুধবার (১১ ডিসেম্বর) সকালে যার উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী কুষ্ঠ রোগীদের দূরে সরিয়ে, মানবিক দৃষ্টিতে দেখার আহ্বান জানান। নির্দেশ দেন, যেসব এলাকায় রোগটির প্রকোপ বেশি, সেদিকে বিশেষ নজর দেয়ার।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, সবার প্রথমে আমাদের প্রয়োজন সামাজিক সচেতনতা সৃষ্টি করা। আর সাধারণ মানুষকে আমি বলবো, যে এরা আমাদেরই সমাজের একজন। তাই তাদেরকে দূরে ঠেলে না দিয়ে সহানুভূতির সাথে দেখা, তাদের চিকিতসার ব্যাবস্থা করা এবং তারা যেন সুস্থ হয়ে উথতে পারেন সেই দিকে বিষেষ দৃষ্টি দেওয়া একান্তভাবে প্রয়োজন।
এ রোগের চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় ওষুধ দেশেই উৎপাদন ও বিনামূল্যে বিতরণের জন্য এ শিল্পের সাথে সংশ্লিষ্টদের আহ্বান জানান সরকারপ্রধান। তিনি বলেন, আমাদের অত্যন্ত মানসম্মত ওষুধ বিদেশে রপ্তানী হয়। সেক্ষেত্রে আমাদের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি আছে আমি তাদেরকে বলবো যে আমাদের লেপ্রেসি রোগীদের জন্য যে বিশেষিত ওষুধটা দরকার সেই ওষুধটা যদি তাঁরা দেশে উৎপাদন করে এবং বিনামূল্যে বিতরণের ব্যবস্থা নেয় তাহলে আমরা খুব তারাতারি আমাদের লক্ষ্যে পৌছাঁতে পারবো।
চাকরিরত কেউ এই রোগে আক্রান্ত হলে, তাকে চাকরিচ্যুত না করে চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে হবে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, যেখানে সে চাকরি করবে তাদেরি একটা দায়িত্ব থাকবে সে যেন সুচিকিৎসা পায় সেই ব্যবস্থা করা।

আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর।
তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা।
জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ।
বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত।
শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি,
বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান।
ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী।
জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। 