নির্বাচন নিয়ে কথা বলা বিএনপির শোভা পায় না: প্রধানমন্ত্রী
বর্তমান সরকার নির্বাচনে কোন দুর্নীতি করেনি বরং বিএনপি সরকারই ১৯৯৬ সালে ও ২০০১ নির্বাচনে দুর্নীতি করে ক্ষমতায় এসেছে। যারা নিজেরাই অবৈধ সরকার ছিলো তাদের অন্যকে নিয়ে প্রশ্ন তোলা সাজেনা। শনিবার (৩০ নভেম্বর) রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সম্মেলনে এমন মন্তব্য করেন আওয়ামীলীগ সভাপতি শেখ হাসিনা।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি খালেদা জিয়া একটা নির্বাচন করেছিল। যে নির্বাচনে বাংলাদেশের কোনও দল অংশ নেয়নি। সেটা একটা সাজানো নির্বাচন ছিল। সারাদেশে সেনাবাহিনী মোতায়েন করে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের সহযোগিতায় একটি নির্বাচন করলো। যেখানে বোধ হয় দুই শতাংশ ভোটও পড়েনি। জনগণের ভোট চুরি করে নির্বাচন করে নিজেকে তৃতীয়বারের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ঘোষণা দিলো।
তিনি আরও বলেন, ২০০১ সালে আবার একটা প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন হয়, ষড়যন্ত্র করে আওয়ামী লীগকে হারিয়ে দেয়া হয়। তখন খালেদা জিয়া জামায়াতকে নিয়ে ক্ষমতায় আসে। যুদ্ধাপরাধীদের হাতে আবারও আমার লাখো শহীদের রক্তে রঞ্জিত পতাকা তুলে দিয়ে তাদেরকে মন্ত্রী করে খালেদা জিয়া।
খালেদা জিয়া প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাজনৈতিক মামলায় নয় বরং এতিমের টাকা চুরি করায় তাকে জেলে যেতে হয়েছে।
বিকেলে ইঞ্জিনিয়ার ইনস্টিটিউটের দ্বিতীয় অধিবেশনে, মহানগর উত্তর ও দক্ষিনের নতুন নেতৃত্বের নাম ঘোষণা করা হবে।

আওয়ামী লীগের কেউই রেহাই পাবে না:চিফ প্রসিকিউটর।
তুরস্কের সাথে বৈঠক করলেন এনসিপির নেতারা।
জাতীয় নির্বাচনে ১৫০ পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায় ইইউ।
বাংলাদেশের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত ভারত।
শাপলা’ প্রতীকের দাবিতে অনড় দলটি, ইসির চিঠির জবাব দেবে এনসিপি,
বাংলাদেশিদের ভিসা সহজ করতে অনুরোধ আমিরাতে কর্মসংস্থান।
ধর্মের ভিত্তিতে জাতির বিভাজন দেখতে চায় না জামায়াতে ইসলামী।
জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশিত হয়েছে গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে, সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন। 